সর্বশেষ :

জরুরী নাম্বার সমূহ :

ব্রেকিং নিউজ :

রোমাঞ্চ জয়ের ছোঁয়ায় শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে এগিয়ে গেল বাংলাদেশ


প্রকাশের সময় : সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৫, ১২:২৬ পূর্বাহ্ন /
রোমাঞ্চ জয়ের ছোঁয়ায় শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে এগিয়ে গেল বাংলাদেশ

‘এখন থেকে ম্যাচটা একমাত্র বাংলাদেশেরই। জেতাটাই স্বাভাবিক, এখান থেকে হেরে বসলে নিজেদের দোষেই হারবে’ – কথাটা ধারাভাষ্যকার সঞ্জয় মাঞ্জরেকারের। জয় থেকে তখনও ২৫ রানের দূরত্বে বাংলাদেশ। প্রয়োজনীয় রানটা এক অঙ্কে নেমে আসার ঠিক আগে যখন ফুলটস বলে আউট হলেন তাওহীদ হৃদয়, তখন মনটা কু ডাক ডেকে ওঠা খুব অসম্ভব কিছু কি?

শেষ ওভারের শুরুতেই চার মেরে কাজটা সেরে ফেলছিলেন জাকের আলী। তাতে মনে হচ্ছিল জয়টাও বুঝি সহজেই চলে আসবে। তবে তা এল না। স্কোর সমতায় রেখে জাকের বিদায় নিলেন ছক্কা হাঁকাতে গিয়ে। এর এক বল পর শেখ মাহেদিও যখন বিদায় নিলেন, তখন মনে হচ্ছিল ৯ বছর আগের বেঙ্গালুরুর দুঃস্বপ্ন বুঝি ফিরে আসছে দুবাইয়ে। তবে নাসুম আহমেদ সেটা হতে দেননি। একটা রান নিয়ে নিলেন। আর তাতেই বাংলাদেশ তুলে নিল ৪ উইকেটের রুদ্ধশ্বাস এক জয়। তাতে তাদের সুপার ফোরের শুরুটাও হলো দুর্দান্তভাবে।

খেলাটা দুবাইয়ে হচ্ছে, নাকি মিরপুর বা সিলেটে, গ্যালারিভরা বাংলাদেশের সমর্থকদের উল্লাসে তা ঠাহর করা যাচ্ছিল না। তবে সেই সমর্থকদের ম্যাচের প্রথম পাওয়ারপ্লেতে চুপই থাকতে হয়েছে। কারণ টস হেরে ব্যাট করতে নেমে দুই লঙ্কান ওপেনার তুলে ফেলেছিলেন ৫৩ রান।

দুবাইয়ের গ্যালারি চুপ ছিল ম্যাচের আরও একটা অংশে। লঙ্কান ইনিংসের শেষ দিকে যখন দাসুন শানাকা ছক্কা হাঁকাচ্ছিলেন একের পর এক, তখন। ব্যাটিং অর্ডারে বাঁহাতিদের লম্বা তালিকাটাকে ছোট করতে তাকে ওপরে পাঠিয়েছিল দলটা। ৩৭ বলে তার ৬৮ রানের ইনিংসটা শেষমেশ লঙ্কান ইনিংসের মেরুদণ্ডই হয়ে বসেছিল। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট তুলে নিয়েও লঙ্কানদের থামানো যায়নি তার এই ইনিংসের সুবাদেই।

তাতে এক পর্যায়ে মনে হচ্ছিল ম্যাচটা বুঝি হাত ফসকেই বেরিয়ে গেল! শ্রীলঙ্কা তুলে বসেছিল ৭ উইকেটে ১৬৮ রানের ‘পাহাড়’! হ্যাঁ, পাহাড়ই। শেষ ১৪ বার যখনই বাংলাদেশ ১৬৫ এর বেশি রান তাড়া করতে নেমেছে, তার ১৩ বারই হেরেছে। সেই একবারের পুনরাবৃত্তি যে এবার হবে, তার গ্যারান্টি কী ছিল?

এরপর বাংলাদেশ ইনিংসের শুরুটাও গেছে লঙ্কানদের পক্ষে। রানের খাতা খোলার আগেই নুয়ান তুষারাকে তেড়েফুঁড়ে মারতে গিয়ে বোল্ড হয়ে যখন ফিরলেন তানজিদ হাসান তামিম, তখন মনে হচ্ছিল আবুধাবির ওই দুঃস্বপ্নই বুঝি ফিরে ফিরে এলো!

আবুধাবিতে ধস ঠেকানো যায়নি, কারণ একাদশে একজন সাইফ হাসান ছিলেন না; আজ শুধু ঠেকানোই হলো না, লঙ্কানদের ওপর চড়ে বসা গেল, তার ব্যাটে চড়েই।

এসটি/এম